মেনু নির্বাচন করুন
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়  সরকারের জনগুরুত্বপূর্ন  একটি বিভাগ।  খাদ্য অধিদপ্তর, ঢাকার আওতাধীন এ কার্যালয়টি মাঠ পর্যায়ে সরকারের নীতি  বাস্তবায়নে কাজ করে থাকে।  মহাকুমা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়টি ১৯৮৪ সালে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের  কার্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে।  এটি কুখাপাড়া রোডে উপজেলা পরিষদের বিপরীতে অবস্থিত।  জেলা কার্য্লয়ের প্রধান হলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।  জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অধীন ০১ জন, কারিগরি খাদ্য পরিদর্শকসহ কিছু  সংখ্যক কর্মচারী রয়েছেন। এ কার্যালয়ের অধীনে ০৬টি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের  কার্যালয় ও ০৭টি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয় রয়েছে।  অত্র জেলায় অবস্থিত ০৭ টি এলএসডি হলো- নীলফামারী সদর এলএসডি, সৈয়দপুর এলএসডি, ডোমার এলএসডি, চিলাহাটি এলএসডি, জলঢাকা এলএসডি, ডিমলা এলএসডি ও কিশোরগঞ্জ এলএসডি। এলএসডিগুলোতে সরকারের খাদ্যশস্য (ধান,গম ও চাল) সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিলি-বিতরণ করা হয়।  জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের নিয়্ত্রনাধীন অফিস আঞ্চলিক খাদ্য নিয়্ত্রকের কার্যালয়,যা রংপুর  সেন্ট্রাল   রোডে অবস্থিত।     জেলার  ভৌগলিক পরিচিতি: রাজধানী ঢাকা থেকেউত্তরপশ্চিমদিকে প্রায় ৪০০ কিঃমিঃ দুরে প ১৮২১-বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট এ জেলার অবস্থান যা কর্কটক্রান্তি রেখার সামান্য উত্তরে অবস্থিত। এ জেলার ভৌগলিক অবস্থান ২৫০৪৪/ হতে ২৬০১৯/  উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত এবং ৮৮০৪৬/ হতে ৮৯০১২/  পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত। এ জেলার পূর্বে রংপুর ও লালমনির হাট, দক্ষিনে রংপুর ও দিনাজপুর,পশ্চিমে দিনাজপুর ও পঞ্চগড় এবংউত্তরে ভারতের শিলিগুড়ি জেলা ।   জেলার পটভূমি : দুই শতাধিক বছর পূর্বে এ অঞ্চলে নীল চাষেরখামার স্থাপন করে ইংরেজ নীলকরেরা। এ অঞ্চলের উর্বর ভূমি নীল চাষের অনুকূল হওয়ায় দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় নীলফামারীতে বেশি সংখ্যায় নীলকুঠি ওনীল খামার গড়ে ওঠে। ঊণবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই দুরাকুটি, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ, টেঙ্গনমারী প্রভৃতি স্থানে নীলকুঠি স্থাপিত হয়। সে সময় বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের মধ্যে নীলফামারীতেই বেশি পরিমাণে শস্যউৎপাদিত হতো এখানকার উর্বর মাটির গুণে। সে কারণেই নীলকরদের ব্যাপক আগমন ঘটে এতদ অঞ্চলে। গড়ে ওঠে অসংখ্য নীল খামার। বর্তমান নীলফামারী শহরের তিনকিলোমিটার উত্তরে পুরাতন রেল স্টেশনের কাছেই ছিল একটি বড় নীলকুঠি। তাছাড়া বর্তমানে অফিসার্স ক্লাব হিসেবে ব্যবহৃত পুরাতন বাড়িটি ছিল একটি নীলকুঠি। ধারণা করা হয়, স্থানীয় কৃষকদের মুখে ‘নীল খামার’ রূপান্তরিত হয় ‘নীলখামারী’তে। আর এই নীলখামারীর অপভ্রংশ হিসেবে উদ্ভব হয় নীলফামারী নামের।নীলফামারী একটি প্রাচীন জনপদ। ঐতিহাসিক বিভিন্ন নিদর্শন ও প্রাচীনগ্রন্থাদি থেকে এ অঞ্চলে আদিম জনবসতির অস্তিত্বের কথা জানা যায়।খ্রিস্টপূর্ব নবম শতকে খননকৃত বিরাট রাজার দীঘি অপভ্রংশে বিন্নাদীঘি নীলফামারীর প্রাচীন ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এছাড়াও বিলুপ্তপ্রায়ধর্মপালের গড়, হরিশচন্দ্রের পাঠ, ভীমের মায়ের চুলা, ময়নামতির দূর্গ এ জেলারঐতিহাসিক নিদর্শন। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত নীলফামারী জেলা হিমালয় পর্বত বাহিত পলল দিয়ে গঠিত। করতোয়া, আত্রাই ও তিস্তা নদের পলিমাটি এ অঞ্চলের মৃত্তিকা গঠন ও ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি করেছে। নীলফামারীর এ ভূ-পৃষ্ঠকে পাদদেশীয় পাললিক সমভূমি বলা হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিবর্তনে নীলফামারীর নদীপথ বারংবার গতিপথ পরিবর্তন করে ক্রমশঃ উর্বর সমভূমি অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। বহু ঘটনার প্রান কেন্দ্র নীলফামারী। বিভিন্ন প্রত্ন, প্রস্ত থেকে নীলফামারী জেলার মৃত্তিকাগর্ভে অাদিম জনবসতির অস্তিত্ব অনুমান করা যায়। উর্বর ভূগর্ভের ফলে অত্র অঞ্চলে বিভিন্ন স্থানের লোকের আগমন ঘটে। কালের পরিক্রমায় যুদ্ধবিগ্রহের মধ্য দিয়ে তারা স্থায়ীভাবে এখানে বসবাস স্থাপন করেন। কৃষক বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ, তেভাগা আন্দোলন, ৫২ এর ভাষা আন্দোলন ও ৭১এর মুক্তিযুদ্ধ নীলফামারীর ইতিহাসে অন্যতম অধ্যায়। প্রত্যেকটি বিদ্রোহ-সংগ্রামে নীলফামারীর লোকজন ছিল প্রতিবাদমুখর। প্রায় বিশ লক্ষ জনসংখ্যা অধ্যুষিত নীলফামারী জেলা একটি অবহেলিত, দারিদ্রপিড়ীত ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চল হিসাবে পরিচিত। অসম ভূমি মালিকানা, ভূমিহীনদের সংখ্যাধিক্য, কৃষি নির্ভরতা, শিল্পায়নের অভাব এবং বেকারত্ব এঅঞ্চলের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার মূল কারণ। আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত অনেক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও জমির উর্বরতা, তিস্তা ব্যারেজের মাধ্যমে নদীর পানি নিয়ন্ত্রন করে কৃষি কাজে ব্যবহার, জনশক্তির প্রাচুর্য প্রভৃতি কারণে এ অঞ্চল এখনও দেশের অন্যতম খাদ্য উদ্বৃত্ত অঞ্চল হিসাবে পরিগনিত। শিক্ষারগুণগতমান নিশ্চিত করে জনশক্তির সঠিক ব্যবহার ও শিল্পোন্নয়নের মাধ্যমে এঅঞ্চলকে একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব। ধীরে ধীরে অবহেলিত জনপদ  উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

সাধারণ তথ্য

 

নীলফামারী জেলার খাদ্য শস্য মজুদ সম্পর্কিত প্রতিবেদন

 

 

 

 

 

------: আমন সংগ্রহ/২০১৬- সম্পর্কীয়  তথ্যাবলী:-------

 

সংগ্রহমূল্য:    আমন সিদ্ধ চালের সংগ্রহমূল্য প্রতি কেজি         = ৩৩/- (তেত্রিশ) টাকা

    

 

লক্ষ্যমাত্রা:     সিদ্ধচাল        = ৫৩১৫.০০০ মেঃটন।

       ধান             =

       আতপচাল     = -

 

সংগ্রহের সময়-সীমা:       = ১/১২/২০১৬ হতে ১৫/০৩/২০১৭ পর্যন্ত

 

   

চাল:

স্থানীয় মিলারগণের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে সরকারী বিনির্দেশ সম্মত আকারে সরকারি  দরে  মিলারগণের নিকট হতে সংগ্রহ করা হয়।

গম:

স্থানীয় খাদ্যগুদামে/এলএসডিতে কৃষকদের নিকট হতে সরকারি  দরে বিনির্দেশ মোতাবেক গম সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

 

ওএমএস:

সারাদেশের ন্যায় অত্র জেলাতেও ফ্লাওয়ার মিলার কর্তৃক খাদ্য বিভাগের নিকট হতে গৃহীত গম পেষাই পূর্বক প্রস্তুতকৃত ফলিত আটা ভোক্তাদের মধ্যে ও এমএস কার্যক্রমের আওতায় বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রতি কেজি আটার বিক্রয় মূল্য ১৯(ঊনিশ) টাকা।

"নোটিশ"

 

এদ্বতারা নীলফামারী জেলা শহরের ওএমএস ডিলারগণকে জানানো যাচ্ছে যে, পরিচালক, সরবরাহ বন্টন ও বিপণন বিভাগ, খাদ্য অধিদপ্তর, ঢাকার২৪/১১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখের ১০০৬ নং স্মারকএবং আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রংপুর বিভাগ, রংপুর এর ২৪/১১/১৫  তারিখের ৩৬০১  নং স্মারকে ওএমএস কার্যক্রমে ডিলারগণের মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে ১৯(ঊনিশ) টাকা দরে আটা বিক্রয়ের নির্দেশনা পাওয়া গেছে। উক্ত নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ওএমএস নীতিমালা/২০১৫ আলোকে সপ্তহে ০৬ (ছয়) দিন (শনিবার বাদে) প্রতিদিন ৯টি ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রে বাই রোটেশনে প্রতি কেন্দ্রে ১.০০০ মেঃটন করে মোট= ৯.০০০ মেঃটন আটা  ওএমএস কার্যক্রমের আওতায়  বিক্রয় করতে হবে।

 

নীলফামারী জেলার জনবল  সংক্রান্ত তথ্যাবলী :

 

ক্রমিক নং

পদের নাম

মঞ্জুরীকৃত পদের সংখ্যা

বর্তমান কর্মরত সংখ্যা

শূন্য পদের সংখ্যা

পিআরএল গমনের সংখ্যা

মন্তব্য

পুরুষ

মহিলা

মোট

১ম শ্রেণী

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

মোট

 

২য় শ্রেণী

খাদ্য পরিদর্শক

১৯

১১

১৩

 

মোট

১৯

১১

১৩

 

৩য় শ্রেণী

খাদ্য পরিদর্শক

 

প্রধান সহকারী

 

হিসাব রক্ষক

 

কারিগরী পরিদর্শক

 

উচ্চমান সহকারী

 

অডিটর

 

অফিস সহকারী

3

 

উপ-খাদ্য পরিদর্শক

১০

১০

 

সহঃ উপ-খাদ্য পরিদর্শক

 

ডাটা এন্ট্রি/কনেট্রাল অপারেটর

 

মোট

৩২

১৯

২৩

 

৪র্থ শ্রেণী

স্প্রেম্যান

 

অফিস পিয়ন

 

নৈশ প্রহরী

 

নিরাপত্তা প্রহরী

৪৯

৪০

৪৭

 

পরিচ্ছন্নতা কর্মী

 

মোট

৫৪

৪৪

৫২

 

সর্বমোট

১১৩

৮১

১৪

৯৫

১৮

 

 

   

               

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
কাজী সাইফুদ্দিনজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক০৫৫১-৬১৪৪৮০১৭১২৭১৩০২৪dcf.nlf@gmail.com
বিমল কৃষ্ণ রায়কারিগরী খাদ্য পরিদর্শক০১৯১৫৫৪২২২২dcf.nlf@gmail.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মোঃ মিজানুর রহমানঅডিটর, অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রধান সহকারী
জনাব মোঃ শমশের আলী প্রধানডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর
মোঃ সাইফুননবীসহকারী উপ খাদ্য পরিদশক
শামীমা আখতারসহকারী উপ খাদ্য পরিদর্শক
মোঃ হুমায়ুন কবিরঅফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
মোঃ আবু তালেবঅফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
মোঃ মাসুদ রানা চৌধুরীঅফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
মোঃ সিরাজুল ইসলামড্রাইভার
বিজয় চন্দ্র রায়স্প্রে-ম্যান
অঞ্জনা রানী রায়অফিস সহায়ক (এমএলএসএস)
মোঃ আব্দুল লতিফনিরাপত্তা প্রহরী
মোঃ লাল বাবুনিরাপত্তা প্রহরী
মোঃ মনোয়ার হোসেননিরাপত্তা প্রহরী
শাহিনা খাতুননিরাপত্তা প্রহরী
শংকর চন্দ্র রায়নিরাপত্তা প্রহরী
মোঃ তহিদুল ইসলামনিরাপত্তা প্রহরী (নৈশ্ প্রহরী)
মোঃ খাদেমুল ইসলামপরিচ্ছন্নতা কর্মী
শ্রী মিন্টু বাসফোরপরিচ্ছন্নতা কর্মী

প্রকল্পসমূহ

(১)  সদর উপজেলায় সদর খাদ্য গুদাম ০১ টি (১০০০ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন) খাদ্য গুদামের কাজ সম্পন্ন ও হস্তান্তর হয়েছে ।

(২) সৈয়দপুর উপজেলার ০৩ (তিন)টি খাদ্য গুদাম নির্মাণ কাজ (প্রতিটি ১০০০ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন) সমাপ্ত ও হস্তান্তর হয়েছে।

(৩) ডোমার উপজেলার চিলাহাটীতে ০২ টি (প্রতিটি ১০০০ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন) খাদ্য গুদামের যাবতীয় কাজ সমাপ্ত ও  হস্তান্তর হয়েছে ।

(৪) ১.০৫ লক্ষ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন গুদাম নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী জেলার সদর, জলঢাকা এবং ডোমার উপজেলার সাইট সমূহ প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক পরিদর্শন করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, নীলফামারী।

http://food.nilphamari.gov.bd

Web:-www.dgfood.gov.bd

বিষয়ঃ  মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রদত্ত প্রশিক্ষণের পর গৃহীত পাইলট প্রকল্পের হালনাগাদ তথ্য

মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের a2i প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ‘নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ শেষে ‘ব্যবসায়ীদের খাদ্যশস্য লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা উদ্ভাবনী আইডিয়া শিরোনামে প্রকল্প ডিজাইন করি এবং এটি খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে গত ২৪/১২/২০১৪ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থাপন করি। অতঃপর সকলের মতামত ও সুপারিশের আলোকে অধিকতর সংশোধন পূর্বক পাইলট প্রকল্পের কার্যক্রম শুরম্ন করি। আমার চিহৃিত সেবাটি হলো ‘খাদ্যশস্য লাইসন্স গ্রহণে উদ্ধুদ্ধকরণ ও বাসত্মবায়ন’। উলেস্নখ্য  যে,পাইলট প্রকল্পের মেয়াদ ০১/০১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ হতে ৩০/৬/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ পর্যমত্ম ছিল। গত মে মসে আমাকে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে নীলফামারী জেলায় পদায়ন করা হয়। এরপর আমি পূর্বের কর্মস্থলে  গৃহীত পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন করার জন্য ২৩/০৫/২০১৫ খ্রিঃ তারিখের ১৩৪১ নং স্মারকে  খাদ্য অধিদপ্তরের অনুমতি প্রার্থণা করি।  কিমত্ম নতুন কর্মস্থলে বদলি হওয়ায় বদলিকৃত কর্মস্থলে নতুন করে পাইলটিং শুরম্ন করতে হবে মর্মে মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধামত্ম রয়েছে মর্মে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে নিম্নস্বাক্ষরকারীকে  অবহিত করা হয়েছে।  এই পরিস্থিতে নীলফামারী জেলায় নতুন করে পাইলটিং শুরু করার জন্য আপাতত ডোমার উপজেলার ৫৬  জন মিলার   এবং  ১৫ জন খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীকে অর্থাৎ ৭১ জনকে  লাইসেন্স এর আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

পূর্বের গৃহীত পাইলট প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি ঃ পাইলট প্রকল্প হিসেবে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভা ও হিলি স্থল বন্দরের ৪০ (চলিস্নশ) জন আমদানীকারক এবং পাইকারী ও খুচরা খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে গত ০১/০১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ হতে কার্যক্রম শুরম্ন করার সিদ্ধামত্ম  নিই। শুরম্নতেই জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, দিনাজপুর মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে পাইলটিং শুরম্ন করার অনুমোদন গ্রহণ করি। মহোদয়ের সুচিমিত্মত মতামত ও পরামর্শ অনুযায়ী পাইলটিং এর কার্যক্রম আরম্ভ করি। এরপর বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলা ইনোভেশন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার, হিলি শুল্ক ষ্টেশন, আড়ৎদার, ব্যবসায়ী এবং আমদানী ও রপ্তানীকারক সমিতি ও উপজেলা চালকল মালিক সমিতিকে অবহিত করি।

সরেজমিনে জরিপ করে প্রাথমিকভাবে ৩০ (ত্রিশ) জন  লাইসেন্সযোগ্য ব্যবসায়ী ও আমদানীকারকেদের একটি তালিকা প্রনয়ন করি। তালিকার বাইরে কেউ রয়েছে কিনা তার জন্য পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন টিমের সদস্যরা তৎপর আছেন। ইতোমধ্যে তালিকাকৃত আমদানীকারক এবং পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়ে তাদের ঠিকানায় বাহক মারফত ও রেজিষ্টার্ড ডাকযোগে পত্র প্রেরণসহ মোবাইল ফোনে কথা বলে লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।  মোবাইল ফোনে এসএমএস প্রদান করেও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।  লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধসহ এ সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন ও বিধি-বিধানসমূহ ডিজিটাল ব্যানারে দৃষ্টিনন্দন স্থানে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ১৮/০২/২০১৫ খ্রি: তারিখ নিম্নস্বাক্ষরকারী  উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাকিমপুর এর সভাকক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে  ব্যবসায়ী, আমদানীকারক ও  আড়ৎদারদের সাথে খাদ্যশস্য লাইসেন্স সংক্রামত্ম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা করেন। সভায় খাদ্যশস্য লাইসেন্স গ্রহণের জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করা  হয়। লাইসেন্স ব্যাতিরেকে  কেউ খাদ্যশস্য ব্যবসা পরিচালনা করলে সরকারী আইন মোতাবেক তার/প্রতিষ্ঠানের  বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধামত্ম হয়। প্রত্যেক আমদানীকারক যাতে খাদ্যশস্য লাইসেন্স গ্রহণ করেন সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সভায় সহকারী কমিশনার, হিলি শুল্ক ষ্টেশনকে অনুরোধ করা হয়। সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, লাইসেন্স গ্রহণে আমরা সবাই রাজী আছি। তবে লাইনেন্স গ্রহণকালে এবং নবায়নকালে  যে ১৫% মূসক  দেয়ার কথা বলা হয়েছে সেটি আমদের উপর অন্যায়ভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। মূসকের বিষয়টি বাদ দেয়া হলে সকলেই লাইসেন্স গ্রহনে উৎসাহী হবেন। সভায় সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার  লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নকালে ১৫% মূসক প্রদানের বিষয়টি পরিহার   বিবেচনা করা যায় কিনা সে ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পত্র লেখার অনুরোধ করেন।

সভায় ব্যবসায়ীদের অনেকেই লাইসেন্স গ্রহণে তাদের সম্মতির কথা জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ লাইসেন্স গ্রহণে অনীহাও প্রকাশ করেছেন। পুনরায় সমিতির নেতৃবৃন্দকে সরকারি খাতে মুসক জমা দেয়ার প্রভিশন রয়েছে জানালে এবং এ সংক্রামত্ম বিধি গোচরীভুত করা হলে তারা জানান সমিতির সকল সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে মুসকসহ সরকারী খাতে সমুদয় টাকা জমা দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণের বিষয়টি জানাবেন।

পূর্বের প্রকল্পে লাইসেন্স গ্রহণ করেছেন ০৬ ব্যবসায়ী:পাইলটিং শুরু করার পর এই  পর্যন্ত ০৪ (চার) জন্য আমদানীকারক , ০১ জন আড়ৎদার ও ০১ জন আটাচাক্কী ব্যবসায়ী খাদ্যশস্য লাইসেন্স গ্রহণ করেছেন। বাকী ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স এর আওতায় নিয়ে আসার জন্য  পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন টিমের প্রতিটি সদস্য  নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।

 

নতুন কর্মস্থলে পাইলটিং :নিম্নস্বাক্ষরকারীর বর্তমান কর্মস্থল নীলফামারী জেলার   ডোমার  উপজেলার   খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী অর্থাৎ আড়তদার, খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসার জন্য  পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা  হয়েছে। সেপ্টেম্বর-২০১৫ হতে আগামী ফেব্রুয়ারী-২০১৬ অর্থাৎ ০৬ মাসের মধ্যে প্রকল্প সমাপ্ত করার পরিকল্পনা  রয়েছে।  সেই লক্ষে কাজ শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে যে সকল মিল  মালিক এবং খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী এখনো পর্যন্ত লাইসেন্স গ্রহণ করেনি তাদে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। অতঃপর তাদেরকে লাইসেন্স গ্রহণ করার জন্য পত্র প্রেরণের পাশাপাশি মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠানো হয়েছে। সচেতনাতা সৃস্টি করার  জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও  গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা করা হবে। লাইসেন্স গ্রহণের জন্য চালান জমা করার কোড সম্বরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকার নির্ধারিত ফিস এর তথ্য মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে  জানিয়ে দেয়া হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে লাইসেন্স গ্রহণের জন্য সরকারি যে সকল আইন কানুন রয়েছে তা ডিজিটাল ব্যানারে দর্শনীয় স্থানে টাঙ্গিয়ে দেয়া হবে। ব্যবসায়ী /মিলার ফিস সরকারি কোষাগারে জমা  দেয়ার পর  চালানের কপি জমা দিলে সঙ্গে  সঙ্গে লাইসেন্স প্রদানের তারিখ এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। নির্ধারিত তারিখে এসে লাইসেন্স গ্রহণ করবেন। অন্যথায় ডাকযোগে লাইসেন্স পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পাইলটিং উপজেলা হিসেবে নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলাকে চিহৃিত করা হয়েছে। এর  আওতায় ৫৬ জন মিলার ও ১৫ জন খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীসহ মোট ৭১ জনকে  লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ ০১/০৯/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ হতে ০১/০২/২০১৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত নির্ধারণ  করা হয়েছে।   উল্লেখ্য যে, এতদ বিষয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রংপুর মহোদয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে। তিনি খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে এসে  প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দিক নির্দেশনা প্রদানসহ সব ধরণের সহযোগিতা করে চলেছেন।

 
 

যোগাযোগ

কাজী সাইফুদ্দিন

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

ফোনঃ ০৫৫১-৬১৪৪৮ (অফিস), ০৫৫১-৬১৪৫৮ (বাসা)

ফ্যাক্সঃ ০৫৫১-৬১১২৪

email: dcf.nlf@gmail.com

কী সেবা কীভাবে পাবেন

২.২ নাগরিক-সেবার তথ্য সারণি

ক্রমিক

নং

সেবা প্রদানকারী অফিসের নাম

              সেবার নাম

দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

সংক্ষেপে সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়

প্রয়োজনীয় ফি/ ট্যাক্স / আনুষাঙ্গিক খরচ

সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন

/ বিধি-বিধান/ নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে

ব্যর্থ হলে পরবর্তী

প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস

খাদ্য শস্য সংগ্রহ

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গুদাম কর্মকর্তা

কৃষক তার উৎপাদিত ধান/ গম গুদামে বিক্রির জন্য নিয়ে আসলে গুদাম কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ওজন ও মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে মূল্য পরিশোধের নিমিত্তে wqsc ( Weight, Quality, Stock Certificate, ওজন ,মান ও মজুদ সার্টিফিকেট) ইস্যু করেন। কৃষক স্থানীয় পেয়িং ব্যাংক হতে wqsc জমা দিয়ে সরাসরি নগদ মূল্য গ্রহণ করেন। একইভাবে মিলার চাল সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করে আবেদন করলে তার মিলের ক্যাপাসিটি অনুসারে বরাদ্দ দেয়া হয়। নিধার্রিত  সময়ের মধ্যে চাল সরবরাহ করলে একইভাবে মূল্য পরিশোধ করা হয়।

০১ থেকে ০২ দিন

ধান/গমের ক্ষেত্রে খরচবিহীন।

 

তবে চাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে চুক্তি সম্পাদনের জন্য ৩০০/- টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প

খাদ্য শস্য (ধান, চাল, গম) সংগ্রহ নীতিমালা ২০১০ এর শর্তানুসারে –

  • ধান ও গমের ক্ষেত্রে কৃষক হিসাবে কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন
  • চালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী চুক্তিবদ্ধ মিলার
  • ধান, চাল ও গমের মান সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক / আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক

০২

--

লাইসেন্স ইস্যু

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

ব্যবসায়ীর নিকট থেকে আবেদনপত্র পাওয়ার পর খাদ্য পরিদর্শক  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন/ যাচাই করে সঠিক তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে এবং চালানের মাধ্যমে টাকা জমা দেয়ার পর লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

০৪-০৫ দিন

লাইসেন্স ফি-

খুচরা পর্যায়ে= ১,০০০/-টাকা; 

পাইকারী পর্যায়ে=৫,০০০/- টাকা

এস.আর.ও নং-১১২-আইন/ ২০১১

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

০৩

--

ফেয়ার প্রাইস

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

একটি উপজেলা/ থানার সকল বিভাগের সরকারি ও আধা সরকারি কর্মচারীগণ এ সেবা পেয়ে থাকে। প্রথমে সকল কর্মচারীদের তালকা করে উপজেলা কমিটিতে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়। উপজেলা খাদ্য অফিস সুবিধাভোগীদের নামে ফেয়ার প্রাইস কার্ড তৈরি করে সরবরাহ করে। অত:পর নিয়োগকৃত ডিলারকে ডিও ইস্যুর মাধ্যমে চালানে জমাকৃত টাকার বিপরীতে খাদ্যশস্য প্রদান করা হয়। ডিলার  নির্দিষ্ট স্থানে ও দরে উপজেলা কমিটির অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী জনগণের মাঝে খাদ্যশস্য বিক্রয় /বিতরণ করেন।

সেবা গ্রহণকারী ডিলারের বিক্রয় কেন্দ্রে পৌঁছার পর ১ থেকে ২ ঘন্টা

সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ

ফেয়ার প্রাইস নীতিমালা/২০১০ (সংশোধিত)

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

০৪

-

ওএমএস

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

নিয়োগকৃত ডিলারকে ডিও ইস্যুর মাধ্যমে চালানে জমাকৃত টাকার বিপরীতে খাদ্যশস্য প্রদান করা হয় এবং খাদ্য শস্যের বিক্রিদর ও বিক্রির নীতিমালা অবহিত করা হয়। ডিলার নির্দিষ্ট স্থানে ও দরে মাষ্টার রোলের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের জনগণের মাঝে খাদ্যশস্য বিক্রয় /বিতরণ করে থাকেন

সেবা গ্রহণকারী ডিলারের বিক্রয় কেন্দ্রে পৌঁছার পর ১ থেকে ২ ঘন্টা

সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ

ওএমএস নীতিমালা- ২০১২

উপজেলা/জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সেবা ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবার ধরণ

সেবার পর্যায়

(মহানগর/ জেলা/ উপজেলা/ ইউনিয়ন)

১।

খাদ্য শস্য সংগ্রহ

সংগ্রহ

উপজেলা/ জেলা

২।

লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন সংক্রান্ত

লাইসেন্স প্রদান

উপজেলা/ জেলা/ মহানগর

৩।

ফেয়ার প্রাইস (নায্যমূল্য)

সরবরাহ

ইউনিয়ন/ উপজেলা/ জেলা/মহানগর

৪।

ওএমএস

সরবরাহ

উপজেলা/ জেলা/ বিভাগ/ মহানগর

সিটিজেন চার্টার

সংস্থাপনশাখাঃ

 

         ১।  উপখাদ্য পরিদর্শক, সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক, অফিস সহকারী ও ৪র্থ শ্রেণীর সকল  

              কর্মচারীদের বদলী সংক্রান্ত কার্যক্রম।

         ২।  ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের অর্জিত ছুটি, শ্রামিত্ম বিনোদন ছুটি, প্রসূতিকালীন ছুটি প্রভৃতি

              কার্যক্রম।

         ৩। সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকুরী সংক্রামত্ম তথ্য আদান-প্রদান ও বিভাগীয় মামলা

             সংক্রান্ত কার্যক্রম।

         ৪। জেলার খাদ্য বিভাগীয় সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন কার্যক্রম।

             প্রাপ্ত অভিযোগের আলোকে তদন্ত কার্যক্রম।

 

হিসাবশাখাঃ

 

১।  জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক(কারিগরি), কারিগরি খাদ্য পিরিদর্শক,

     প্রধান সহকারী, হিসাব রক্ষক, উচ্চমান সহকারী, অফিস সহকারী, ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল 

     অপারেটর ও এমএলএসএসগণের বেতন, ভাতা, পেনশন-আনুতোষিকসহ যাবতীয় কার্যক্রম।

২।  জেলার ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীগণের পেনশন-আনুতোষিক ভাতা প্রদান।

৩। অভ্যন্তরীণ সড়ক পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগ এবং শ্রম ও হ্যান্ডলিং বিল প্রদান সংক্রান্ত

     কার্যক্রম।

৪।  স্টেশনারী দ্রব্যাদি ক্রয় ও বিল প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রম।

 

মজুদশাখাঃ

 

১।  খাদ্য সামগ্রীর বাজার দর সংগ্রহ ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ।

২।  জেলার চাল কলসমূহের নতুন মিলিং লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও এতদসংক্রান্ত কার্যক্রম।

৩। জেলার ৭টি এলএসডির পণ্যভিত্তিক খাদ্য শস্যের মজুদ পরিস্থিতি সংরক্ষণ করা এবং

     সাপ্তাহিকভাবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন।

৪।  জেলা পর্যায়ে ওএমএস ডিলার নিয়োগ ও ওএমএস সংক্রামত্ম কার্যক্রম।

৫।  গুদাম ও পরিবহন ঘাটতি অবলোপন সংক্রান্ত কার্যক্রম।

৬। খাদ্য মজুদ/বাজর দর সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান।

 

সংগ্রহশাখাঃ

 

অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ (ধান, চাল ও গম) সংক্রান্ত কার্যাবলী তথা সংগ্রহের চুক্তি সম্পাদন, বরাদ্দ প্রদান, সংগ্রহ

সংক্রান্ত হিসাব সংরক্ষণ ইত্যাদি।

 

চলাচলশাখাঃ

 

অভ্যন্তরীণ সড়ক পরিবহন ঠিকাদারের মাধ্যমে জেলার অভ্যন্তরে খালিবস্তাসহ খাদ্যশস্যের চলাচল ও বহিঃচলাচলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রম।

 

পত্রগ্রহণ-প্রেরণশাখাঃ

 

চিঠিপত্র গ্রহণ, বিতরণ ও প্রেরণ।

 

নেজারতশাখাঃ

 

১।  ডিও বহি, এলইউএ, ডব্লিউকিউএসসি, মিল লাইসেন্স বহি, খামাল কার্ড, গুদাম লেজার,

     ইনভয়েস, ইত্যাদি রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যাদি সম্পাদন।

২।  সকল প্রকার স্টেশনারী দ্রব্যাদি, রাজস্ব টিকিট, সংরক্ষণ ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের বিভিন্ন

     শাখায় বিতরণ।

 

অডিটশাখাঃ

 

১।  জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের বাণিজ্যিক ও অভ্যন্তরীণ আপত্তিসমূহের নিস্পত্তির লক্ষ্যে উর্দ্ধতন

      কর্তৃপক্ষের নিকট মতামতসহ প্রেরণ।

২।   সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দপ্তরের অভ্যন্তরীণ ও বাণিজ্যিক 

      অডিট সংক্রান্ত জবাব জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের মতামতসহ নিস্পত্তির লক্ষ্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের

      নিকট প্রেরণ।

৩।  জেলা/উপজেলার অভ্যন্তরীণ ও বাণিজ্যিক অডিট সংক্রান্ত হালনাগাদ নথিপত্র রেকর্ডপত্র

     ও রেজিষ্টারসমূহ সংরক্ষণসহ যাবতীয় কার্যক্রম।

 

কারিগরিশাখাঃ

 

        জেলার এলএসডিসমূহে মজুদ মালামালের গুণগত মান সংরক্ষণার্থে কীট নিয়ন্ত্রণের নিমিত্ত প্রয়োজনীয়

        প্রতিরোধমূলক ও প্রতিষেধক ব্যবস্থা গ্রহণ/পরামর্শ প্রদান ও খাদ্যশস্যের বিলিবিতরণ সংকেত প্রদান

        সংক্রান্ত কার্যাদি।

 

তথ্য অধিকার