Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

(১)  সদর উপজেলায় সদর খাদ্য গুদাম ০১ টি (১০০০ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন) খাদ্য গুদামের কাজ সম্পন্ন ও হস্তান্তর হয়েছে ।

(২) সৈয়দপুর উপজেলার ০৩ (তিন)টি খাদ্য গুদাম নির্মাণ কাজ (প্রতিটি ১০০০ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন) সমাপ্ত ও হস্তান্তর হয়েছে।

(৩) ডোমার উপজেলার চিলাহাটীতে ০২ টি (প্রতিটি ১০০০ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন) খাদ্য গুদামের যাবতীয় কাজ সমাপ্ত ও  হস্তান্তর হয়েছে ।

(৪) ১.০৫ লক্ষ মেঃটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন গুদাম নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী জেলার সদর, জলঢাকা এবং ডোমার উপজেলার সাইট সমূহ প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক পরিদর্শন করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, নীলফামারী।

http://food.nilphamari.gov.bd

Web:-www.dgfood.gov.bd

বিষয়ঃ  মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রদত্ত প্রশিক্ষণের পর গৃহীত পাইলট প্রকল্পের হালনাগাদ তথ্য

মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের a2i প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ‘নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ শেষে ‘ব্যবসায়ীদের খাদ্যশস্য লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা উদ্ভাবনী আইডিয়া শিরোনামে প্রকল্প ডিজাইন করি এবং এটি খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে গত ২৪/১২/২০১৪ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থাপন করি। অতঃপর সকলের মতামত ও সুপারিশের আলোকে অধিকতর সংশোধন পূর্বক পাইলট প্রকল্পের কার্যক্রম শুরম্ন করি। আমার চিহৃিত সেবাটি হলো ‘খাদ্যশস্য লাইসন্স গ্রহণে উদ্ধুদ্ধকরণ ও বাসত্মবায়ন’। উলেস্নখ্য  যে,পাইলট প্রকল্পের মেয়াদ ০১/০১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ হতে ৩০/৬/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ পর্যমত্ম ছিল। গত মে মসে আমাকে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে নীলফামারী জেলায় পদায়ন করা হয়। এরপর আমি পূর্বের কর্মস্থলে  গৃহীত পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন করার জন্য ২৩/০৫/২০১৫ খ্রিঃ তারিখের ১৩৪১ নং স্মারকে  খাদ্য অধিদপ্তরের অনুমতি প্রার্থণা করি।  কিমত্ম নতুন কর্মস্থলে বদলি হওয়ায় বদলিকৃত কর্মস্থলে নতুন করে পাইলটিং শুরম্ন করতে হবে মর্মে মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধামত্ম রয়েছে মর্মে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে নিম্নস্বাক্ষরকারীকে  অবহিত করা হয়েছে।  এই পরিস্থিতে নীলফামারী জেলায় নতুন করে পাইলটিং শুরু করার জন্য আপাতত ডোমার উপজেলার ৫৬  জন মিলার   এবং  ১৫ জন খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীকে অর্থাৎ ৭১ জনকে  লাইসেন্স এর আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

পূর্বের গৃহীত পাইলট প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি ঃ পাইলট প্রকল্প হিসেবে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভা ও হিলি স্থল বন্দরের ৪০ (চলিস্নশ) জন আমদানীকারক এবং পাইকারী ও খুচরা খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে গত ০১/০১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ হতে কার্যক্রম শুরম্ন করার সিদ্ধামত্ম  নিই। শুরম্নতেই জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, দিনাজপুর মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে পাইলটিং শুরম্ন করার অনুমোদন গ্রহণ করি। মহোদয়ের সুচিমিত্মত মতামত ও পরামর্শ অনুযায়ী পাইলটিং এর কার্যক্রম আরম্ভ করি। এরপর বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলা ইনোভেশন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার, হিলি শুল্ক ষ্টেশন, আড়ৎদার, ব্যবসায়ী এবং আমদানী ও রপ্তানীকারক সমিতি ও উপজেলা চালকল মালিক সমিতিকে অবহিত করি।

সরেজমিনে জরিপ করে প্রাথমিকভাবে ৩০ (ত্রিশ) জন  লাইসেন্সযোগ্য ব্যবসায়ী ও আমদানীকারকেদের একটি তালিকা প্রনয়ন করি। তালিকার বাইরে কেউ রয়েছে কিনা তার জন্য পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন টিমের সদস্যরা তৎপর আছেন। ইতোমধ্যে তালিকাকৃত আমদানীকারক এবং পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়ে তাদের ঠিকানায় বাহক মারফত ও রেজিষ্টার্ড ডাকযোগে পত্র প্রেরণসহ মোবাইল ফোনে কথা বলে লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।  মোবাইল ফোনে এসএমএস প্রদান করেও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।  লাইসেন্স গ্রহণের জন্য অনুরোধসহ এ সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন ও বিধি-বিধানসমূহ ডিজিটাল ব্যানারে দৃষ্টিনন্দন স্থানে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ১৮/০২/২০১৫ খ্রি: তারিখ নিম্নস্বাক্ষরকারী  উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাকিমপুর এর সভাকক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে  ব্যবসায়ী, আমদানীকারক ও  আড়ৎদারদের সাথে খাদ্যশস্য লাইসেন্স সংক্রামত্ম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা করেন। সভায় খাদ্যশস্য লাইসেন্স গ্রহণের জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করা  হয়। লাইসেন্স ব্যাতিরেকে  কেউ খাদ্যশস্য ব্যবসা পরিচালনা করলে সরকারী আইন মোতাবেক তার/প্রতিষ্ঠানের  বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধামত্ম হয়। প্রত্যেক আমদানীকারক যাতে খাদ্যশস্য লাইসেন্স গ্রহণ করেন সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সভায় সহকারী কমিশনার, হিলি শুল্ক ষ্টেশনকে অনুরোধ করা হয়। সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, লাইসেন্স গ্রহণে আমরা সবাই রাজী আছি। তবে লাইনেন্স গ্রহণকালে এবং নবায়নকালে  যে ১৫% মূসক  দেয়ার কথা বলা হয়েছে সেটি আমদের উপর অন্যায়ভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। মূসকের বিষয়টি বাদ দেয়া হলে সকলেই লাইসেন্স গ্রহনে উৎসাহী হবেন। সভায় সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার  লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নকালে ১৫% মূসক প্রদানের বিষয়টি পরিহার   বিবেচনা করা যায় কিনা সে ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পত্র লেখার অনুরোধ করেন।

সভায় ব্যবসায়ীদের অনেকেই লাইসেন্স গ্রহণে তাদের সম্মতির কথা জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ লাইসেন্স গ্রহণে অনীহাও প্রকাশ করেছেন। পুনরায় সমিতির নেতৃবৃন্দকে সরকারি খাতে মুসক জমা দেয়ার প্রভিশন রয়েছে জানালে এবং এ সংক্রামত্ম বিধি গোচরীভুত করা হলে তারা জানান সমিতির সকল সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে মুসকসহ সরকারী খাতে সমুদয় টাকা জমা দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণের বিষয়টি জানাবেন।

পূর্বের প্রকল্পে লাইসেন্স গ্রহণ করেছেন ০৬ ব্যবসায়ী:পাইলটিং শুরু করার পর এই  পর্যন্ত ০৪ (চার) জন্য আমদানীকারক , ০১ জন আড়ৎদার ও ০১ জন আটাচাক্কী ব্যবসায়ী খাদ্যশস্য লাইসেন্স গ্রহণ করেছেন। বাকী ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স এর আওতায় নিয়ে আসার জন্য  পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন টিমের প্রতিটি সদস্য  নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।

 

নতুন কর্মস্থলে পাইলটিং :নিম্নস্বাক্ষরকারীর বর্তমান কর্মস্থল নীলফামারী জেলার   ডোমার  উপজেলার   খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী অর্থাৎ আড়তদার, খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসার জন্য  পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা  হয়েছে। সেপ্টেম্বর-২০১৫ হতে আগামী ফেব্রুয়ারী-২০১৬ অর্থাৎ ০৬ মাসের মধ্যে প্রকল্প সমাপ্ত করার পরিকল্পনা  রয়েছে।  সেই লক্ষে কাজ শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে যে সকল মিল  মালিক এবং খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী এখনো পর্যন্ত লাইসেন্স গ্রহণ করেনি তাদে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। অতঃপর তাদেরকে লাইসেন্স গ্রহণ করার জন্য পত্র প্রেরণের পাশাপাশি মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠানো হয়েছে। সচেতনাতা সৃস্টি করার  জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও  গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা করা হবে। লাইসেন্স গ্রহণের জন্য চালান জমা করার কোড সম্বরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকার নির্ধারিত ফিস এর তথ্য মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে  জানিয়ে দেয়া হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে লাইসেন্স গ্রহণের জন্য সরকারি যে সকল আইন কানুন রয়েছে তা ডিজিটাল ব্যানারে দর্শনীয় স্থানে টাঙ্গিয়ে দেয়া হবে। ব্যবসায়ী /মিলার ফিস সরকারি কোষাগারে জমা  দেয়ার পর  চালানের কপি জমা দিলে সঙ্গে  সঙ্গে লাইসেন্স প্রদানের তারিখ এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। নির্ধারিত তারিখে এসে লাইসেন্স গ্রহণ করবেন। অন্যথায় ডাকযোগে লাইসেন্স পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পাইলটিং উপজেলা হিসেবে নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলাকে চিহৃিত করা হয়েছে। এর  আওতায় ৫৬ জন মিলার ও ১৫ জন খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীসহ মোট ৭১ জনকে  লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ ০১/০৯/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ হতে ০১/০২/২০১৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত নির্ধারণ  করা হয়েছে।   উল্লেখ্য যে, এতদ বিষয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রংপুর মহোদয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে। তিনি খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে এসে  প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দিক নির্দেশনা প্রদানসহ সব ধরণের সহযোগিতা করে চলেছেন।